অনেকেই 09b-তে প্রথমবার বেটিং শুরু করে একটা সমস্যায় পড়েন — সংখ্যাগুলো দেখে বুঝতে পারেন না কোনটা ভালো অডস আর কোনটা কম। আসলে ব্যাপারটা একবার বুঝে গেলে বেশ সহজ।
ডেসিমাল অডস — 09b-র স্ট্যান্ডার্ড ফরম্যাট
09b-তে ডেসিমাল ফরম্যাটে অডস দেখানো হয়। যেমন ২.৫০ মানে — আপনি ১০০ টাকা বেট করলে জিতলে মোট পাবেন ২৫০ টাকা। এর মধ্যে আপনার মূল ১০০ টাকাও আছে, তাই লাভ ১৫০ টাকা।
মোট পেআউট = বেটের পরিমাণ × অডস
উদাহরণ: ৫০০ টাকা × ২.৫০ = ১,২৫০ টাকা (লাভ ৭৫০ টাকা)
অডস কম মানে কি ভালো না খারাপ?
অডস কম মানে সেই ফলাফলটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে বাজার মনে করছে। যেমন ভারত ১.৩৫ অডসে থাকলে বাজার মনে করছে ভারতের জেতার সম্ভাবনা খুব বেশি। কিন্তু এখানে পেআউট কম। অন্যদিকে বাংলাদেশ ৩.২০ অডসে থাকলে পেআউট বেশি, কিন্তু জেতার সম্ভাবনা কম বলে ধরা হচ্ছে।
ভালো বেটার সবসময় খোঁজেন — বাজারের ধারণা আর প্রকৃত সম্ভাবনার মধ্যে পার্থক্য। এই পার্থক্যটাই "ভ্যালু বেট"। 09b-তে বিভিন্ন ম্যাচের অডস তুলনা করে এই সুযোগ খুঁজে নেওয়া যায়।
অডস পরিবর্তন হয় কেন?
অডস কখনো স্থির থাকে না। একটি ম্যাচের ঘোষণার পর থেকে শুরু করে ম্যাচ চলাকালীন পর্যন্ত অডস অনেকবার পরিবর্তন হতে পারে। কোনো টিমের মূল খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়লে, টস ঘোষণা হলে, বৃষ্টির পূর্বাভাস এলে বা বাজারে বড় বেট আসলে — সব ক্ষেত্রেই অডস নড়াচড়া করে।
এই কারণে অনেক অভিজ্ঞ বেটার ম্যাচের বেশ আগে বেট রাখেন। কারণ তখন অডস সাধারণত একটু বেশি থাকে। পরে যখন সবাই একটা ফলাফলের দিকে বেট করতে থাকে, তখন সেই দলের অডস কমতে শুরু করে।
ইম্প্লাইড প্রোবাবিলিটি কী?
প্রতিটি অডসের পেছনে একটা হিসাব আছে — বুকমেকার কতটুকু সম্ভাবনা ধরছে সেটা বোঝার জন্য ইম্প্লাইড প্রোবাবিলিটি বের করা হয়।
ইম্প্লাইড প্রোবাবিলিটি = (১ ÷ অডস) × ১০০%
উদাহরণ: ২.০০ অডস → (১ ÷ ২.০০) × ১০০ = ৫০% সম্ভাবনা
আপনি যদি মনে করেন একটা দলের জয়ের সম্ভাবনা বাজারের হিসাবের চেয়ে বেশি, তাহলে সেটাই আপনার জন্য ভ্যালু বেটের সুযোগ।